Sun Mercury Venus Ve Ves
বিশেষ খবর
রোহিঙ্গা ইস্যুতে লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকার সংগঠনের মানববন্ধন  লক্ষ্মীপুরে সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক মহিলা সমাবেশ  বর্ণাঢ্য আয়োজনে লক্ষ্মীপুরে সোনাপুর ছাত্র উন্নয়ন পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী  শিক্ষিকাকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে কোম্পানীগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির মানবন্ধন  লক্ষ্মীপুরে ৪ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার কাজের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল 

সম্পাদকীয়

লক্ষ্মীপুর জেলায় গতিশীল উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা জরুরি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর জেলায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যগণের প্রতি জনগণ বিপুল প্রত্যাশায় গতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে বিজয়ী করেছে; এখন নির্বাচিত সাংসদগণের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণের পালা। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ড. আনোয়ার হোসেন খান, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল, লক্ষ্মীপুর-৩ সদর আসনে এ কে এম শাহজাহান কামাল এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে মেজর (অব.) আব্দুুল মান্নান বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচিত সাংসদগণ নির্বাচনী ইশতেহারে উন্নয়নের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা এখন বাস্তবায়ন করার সময়। এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির-মাদ্রাসাসহ শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে গতিশীল উন্নয়ন প্রয়োজন। উন্নয়নের গতিশীলতা ধরে রাখতে হলে জনগণকে সাথে নিয়ে সমস্যার গভীরে গিয়ে সমাধান করতে হবে; আন্তরিকতার সাথে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে; অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই নজর দিতে হবে; মাদক-সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ নির্মূল করতে হবে; দূনীর্তি দূর করতে হবে; বেকার সমস্যা দূরীকরণে শিল্প-কল-কারখানা, ইপিজেড ইত্যাদি স্থাপন করে যুব সমাজের স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি আসনেই নানাবিধ সমস্যা রয়েছে। বিদ্যমান সমস্যাসমূহের সমাধানের মাধ্যমে গতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। সবক্ষেত্রে উন্নয়ন কর্মকান্ডের অগ্রগতি সম্পর্কে মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করে কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করতে হবে। লক্ষ্মীপুর জেলার গতিশীল উন্নয়ন বাস্তবায়নের স্বার্থে সকল ক্ষেত্রে সঠিক ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে এমপি পাপুলের জিরো টলারেন্স

লক্ষ্মীপুর-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল বলেছেন, আমি নিজে দুর্নীতি করব না এবং আমার নির্বাচনী এলাকায় কাউকে কোনো ধরনের দুর্নীতি করতে দেব না। লক্ষ্মীপুর-২ আসনটি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঘোষিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে থাকবে। দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, জঙ্গিবাদ, টেন্ডারবাজ ও মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করছি। দুর্নীতির আশেপাশে যদি কেউ থাকে, তাহলে তার দায়ভার আমি নেব না। অপরাধী সে যেই হোক না কেন, তাকে গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করেছি। সরকার থেকে যা পাই উন্নয়নের জন্য যদি তাতে না হয়, তাহলে নিজের পকেটের টাকা খরচ করব। আমি কিছু নিতে নয়, দিতে এসেছি। রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, স্কুল-কলেজ, মক্তব, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসাসহ এলাকার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করব। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এমপি পাপুলের জিরো টলারেন্স নীতি অত্যন্ত সাহসী ঘোষণা এবং সৎসাহসের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির সাথে এমপি পাপুল একাত্মতা ঘোষণা করেছেন, এটা লক্ষ্মীপুরবাসী তথা দেশের জন্য একটা অনুকরণীয় উদাহরণ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এমপি পাপুলের মতো সব এমপিদের অন্যতম ব্রত হওয়া উচিত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাই যদি জিরো টলারেন্স দেখায়, তাহলে সবাইকে আগে নিজে সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। একজন সৎ মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিই পারে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন করতে। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন করলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে। কেননা অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে বড় বাধা হচ্ছে দুর্নীতি। তাই সবাইকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। তাহলেই দেশের কাঙ্খিত উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।