Sun Mercury Venus Ve Ves
বিশেষ খবর
সরকারের সচিব হলেন লক্ষ্মীপুরের সুসন্তান মোঃ হাবিবুর রহমান  অতিরিক্ত আইজিপি হলেন লক্ষ্মীপুরের কৃতী সন্তান মোহাম্মদ ইব্রাহীম ফাতেমী  লক্ষ্মীপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব দিবস পালিত  সকলের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চাই -মোহাম্মদ মাসুম, ইউএনও, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা  ফেনী জেলা পরিষদ শিশু পার্ক থেকে বিমুখ স্থানীয়রা 

লক্ষ্মীপুরের সূর্যসন্তান সাবেক প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমিন পরলোকগমন

সাবেক প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমিন সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহে... রাজেউন)। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম জানান, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে বিচারপতি রুহুল আমিনের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল। রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচারের চেষ্টা হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
দেশের ষোড়শ প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০০৮ সালের ১ জুন দায়িত্ব নেন রুহুল আমিন, অবসরে যান ২০০৯ সালের ২২ ডিসেম্বর। যে সময়টিতে বিচারপতি রুহুল আমিন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নেতৃত্ব দেন, তখন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
ওই সময় হাই কোর্টের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে অবসরে যাওয়ার দিন বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রশিদ এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর তীব্র চাপে টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে কাজ করতে হয়েছিল। তখনকার প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমিনও ওই বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিচারপতি এমএম রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৩ ডিসেম্বর, লক্ষ্মীপুর জেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৩ সালে ইতিহাসে মাস্টার্স এবং ১৯৬৬ সালে এলএলবি করে পরের বছর তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন।
দীর্ঘদিন জেলা ও দায়রা আদালতে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৯৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান বিচারপতি রুহুল আমিন। ২ বছরের মাথায় তাঁকে স্থায়ী করা হয়। তাঁকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেয়া হয় ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই।
২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রুহুল আমিন স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন।