Sun Mercury Venus Ve Ves
বিশেষ খবর
স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শফিউল বারী বাবুর ইন্তেকাল  ফেনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আর নেই  করোনা ক্রান্তিকালে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল ও পুলিশ সুপার  এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণের প্রতিবাদে কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রদলের মানববন্ধন  ফেনী জেলা পরিষদ শিশু পার্ক থেকে বিমুখ স্থানীয়রা 

করোনা ক্রান্তিকালে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল ও পুলিশ সুপার

মরণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা চষে বেড়াচ্ছেন লক্ষ্মীপুরের দুই অভিবাবক জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল ও জেলা পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামন। জেলার প্রায় ১৮ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, জেলা পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ, সেনাবাহিনী, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে সমন্বয় রেখে মনিটরিং করছেন সার্বিক কার্যক্রম। সেইসাথে প্রতিপালন করছেন সরকারের যাবতীয় দিকনির্দেশনা।



কাজের ধারাবাহিকতায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলার প্রতিটি উপজেলার প্রধান প্রধান হাটবাজার ও বিভিন্ন দোকানপাট, বিপণীবিতানগুলোতে নিজ হাতে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করে করোনা সংক্রমণের বিষয়ে মানুষকে সচেতনতা করে চলছেন। দিয়েছেন কর্মহীন, দিনমজুর, শ্রমিক ও অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা। গত ৮ মার্চ থেকে বাংলাদেশে শুরু হওয়া করোনা ভাইরাসে লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন স্থানে অবিরাম ছুটে চলেছেন তাঁরা। জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন জেলার পাঁচ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথে। অপরদিকে পুলিশ সুপার যোগাযোগ রাখছেন সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে। প্রয়োজনে হাজির হয়ে দেখভাল করছেন প্রশাসনিক সকল কাজ।



অন্যদিকে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের নানা কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করে জেলার বিশিষ্টজনরা বলেছেন, কাজের গতিশীলতা ধরে রাখতে ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যায়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা দরকার। এর সুষ্ঠু তদারকি করতে পারলে এর সুফল ভোগ করতে পারবে সবাই। করোনার শুরুতেই লকডাউনে প্রবাসীসহ সাধারণ জনগণকে ঘরে রাখা, ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা, কোয়ারেন্টিন ও লকডাউন অমান্যকারীদের ঘরে ফেরানোর কাজসহ জনসচেতনতামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের এমন পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে থেকে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি হতদরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত কিংবা অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দেয়ার জন্য দিনে-রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ নিয়ে ছুটে চলেছেন।



লক্ষ্মীপুর জেলার পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান (পিপিএম) বলেন, করোনা একটি যুদ্ধ। চ্যালেঞ্জ নিয়ে সকলে মিলে এ যুদ্ধের মোকাবিলা করতে হবে। সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নিজে সচেতন থেকে পরিবার-পরিজনকে করোনা থেকে বাঁচাতে হবে। লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সচেতনতার বিকল্প নেই। শুরু থেকে হতদরিদ্র, কর্মহীন মানুষের মাঝে সরকারি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। সরকারি নির্দেশনা কার্যকরে আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলার অনুরোধ করেন তিনি।