Sun Mercury Venus Ve Ves
বিশেষ খবর
লক্ষ্মীপুরে মডেল থানা পুলিশের আলোচনা সভা ও আনন্দ উদযাপন  লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সোহেলের সংবাদ সম্মেলন  লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় ওসি (তদন্ত) শিপন বড়ুয়ার যোগদান  ঘর মেরামতে ঢেউটিন উপহার পেলেন লক্ষ্মীপুরের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী জসিম  রায়পুর প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি মাহবুবুল আলম মিন্টু ও সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নির্বাচিত 

ঘুর্ণিঝড় ইয়াস ॥ লক্ষ্মীপুরে তিন উপজেলায় ২০ গ্রাম প্লাবিত, ৫০ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন

ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে লক্ষ্মীপুর সদর, রামগতি ও কমলনগরসহ তিন উপজেলায় ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে করে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

এদিকে জোয়ারের পানির চাপে নতুন করে রামগতি ও কমলনগর এ দুই উপজেলার ২০টি এলাকায় ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নাছিরগঞ্জ বাজারে ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, চারটি বসতঘরসহ ৫০টি স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে করে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় নদী পাড়ের কয়েক হাজার মানুষ। এলাকাবাসী জানান, ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে কমলনগর উপজেলার লূধুয়া, বাত্তিরখাল, নাছিরগঞ্জ, খায়েরহাট, চরলরেন্স, মতিরহাট, মাতাব্বরহাট, কালকিনি ও রামগতির রামদয়াল, বিবিরহাট, বড়খেরী, গাবতলী, চরআবদুল্লাহ, চরগজারিয়া, সেবাগ্রাম, জনতাবাজার, ওয়াপদা বাজার ও আলেকজান্ডারসহ ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে করে ঘের ও পুকুরের মাছ, রবিশস্যে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

এছাড়া কমলনগরে তিনটি সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় উপজেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে নদীপাড়েরর বাসিন্দাদের। মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গন ও দুযোর্গ মোকাবেলায় উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় রয়েছে নদীতীরের বাসিন্দারা। রামগতি ও কমলনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল ও মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী জানান, মেঘনা নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪/৫ ফুট উচ্চতায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি রাস্তাঘাট, পুকুর ও ঘেরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। নষ্ট হয়ে গেছে রবিশস্যের ফসল। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তালিকার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এ জনপ্রতিনিধিগণ।

রামগতি ও কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবদুল মোমিন ও মোঃ কামরুজ্জামান বলেছেন, সড়ক ভেঙ্গে ও অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেঙ্গে যাওয়া সড়কগুলো দ্রুত মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে তোলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন সকল প্রস্তুুতি নিয়ে রেখেছে বলে দাবী করেন। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ করার কাজ শুরু হয়েছে। আশা করি, এ দুযোর্গ মোকাবেলা করতে কোনো সমস্যা হবে না।

-এস এম আওলাদ হোসেন