Sun Mercury Venus Ve Ves
বিশেষ খবর
‘লক্ষী’ থেকে লক্ষীপুর, যার আরেক নাম সয়াল্যান্ড  লক্ষীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৫০ মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা  ফেনী সেন্ট্রাল হাইস্কুল শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ  আ’লীগ আবারও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছে - লক্ষীপুরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী  শ্রীলঙ্কার অবস্থা দেখে বাংলাদেশে দিবাস্বপ্ন দেখার কোনো কারণ নেই - লক্ষীপুরে মাহবুব উল আলম হানিফ 

লক্ষীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৫০ মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তিতে লক্ষীপুরে ৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। ৫ মার্চ জেলা পরিষদের উদ্যোগে তাদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন অতিথিরা। এসময় মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ উপলক্ষে জেলা পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহজাহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুল প্রদীপ চাকমার সার্বিক তত্ত¡বধানে বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ নূর-এ-আলম, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, লক্ষীপুর পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরনবী চৌধুরী ও সদর থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মাহবুবুল আলম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জাকির হোসেন ভূঁইয়া আজাদ। জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন লিকার সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ মান্না, যুবলীগ নেতা সাইফুল হাসান পলাশ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শাহজাহান কামাল, জেলা পরিষদের সদস্য মাহবুবুল হক মাহবুব, মামুন বিন জাকারিয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব ইমতিয়াজসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এখন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। তারা আমাদের অনুপ্রেরণা। ২০৪১ সালে আমরা উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরামর্শ অত্যন্ত প্রয়োজন। শেখ হাসিনা সবসময় মুক্তিযোদ্ধদের গুরুত্ব দিচ্ছেন। সরকারি ভাতার মাধ্যমে তাদেরকে তিনি সম্মানিত করছেন।