date
cover
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
সম্পাদকীয়

নিঝুম দ্বীপের বিপন্ন হরিণ রক্ষা করুন
নোয়াখালীর অন্যতম সম্ভাবনাময়ী পর্যটন কেন্দ্র নিঝুম দ্বীপে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকা প্রায় বিশ হাজার চিত্রা হরিণের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে। নতুন দ্বীপে বন সৃষ্টির পর বন বিভাগের লোকজন সখের বশে দৃষ্টিনন্দন এক জোড়া চিত্রা হরিণ ছাড়ে উক্ত বনে। সে হরিণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজারে।
দীর্ঘদিন চিত্রা হরিণ দর্শক-পর্যটকদের মনোরঞ্জন করে আসলেও বর্তমানে খাদ্যাভাবে তাদের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে। নিঝুম দ্বীপের সংরক্ষিত বনের সেই ধারণক্ষমতা নেই, যাতে ২০ সহস্র বা ততোধিক হরিণ স্বাচ্ছন্দ্যে বাস করতে পারে। বিকল্প হিসেবে বনসংলগ্ন চরের জমি চারণভূমি হিসেবে গড়ে তুলে হরিণের খাদ্যের জোগান দেয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন দেশে চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষিত বনের জন্য চিত্রা হরিণের চাহিদার প্রেক্ষিতে রপ্তানী করে সরকার বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করতে পারে। অসহায়, নিরীহ এই বিপন্ন প্রাণীকে রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাই।

line
উপকূলে জেগে ওঠা নতুন ভূমির সংরক্ষণ
নোয়াখালী উপকূলে দু’টি ক্রসড্যাম নির্মাণের সুফল হিসেবে এক হাজার বর্গকিলোমিটার ভূমি নদীগর্ভ থেকে জেগে ওঠে। এরপর থেকে প্রতিবছর কিছু নতুন ভূমি যোগ হচ্ছে মূল ভূখন্ডের সাথে। একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও জরিপে দেখা গেছে, ১৯৭৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত নোয়াখালী উপকূলে ৫৭৩ বর্গকিলোমিটার ভূমি জেগে ওঠে। এ ভূমির মধ্যে ১৬২ কিলোমিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বছরে গড় বৃদ্ধি হচ্ছে ১১ দশমিক ৭৫ বর্গকিলোমিটার। বিশেষজ্ঞদের অভিমত- চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ এবং উড়ির চরের সঙ্গে নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকার চরগুলোকে ক্রসড্যামের মাধ্যমে যুক্ত করা গেলে ৯৪০ বর্গকিলোমিটার নতুন ভূমি জাগবে। তখন নোয়াখালীতে চরভূমি জেগে ওঠার হার দাঁড়াবে ২০ বর্গ কিলোমিটার।
নোয়াখালীর মূল ভূখন্ডের কাছাকাছি জেগে ওঠা চরগুলো স্থায়িত্ব পেলে বিস্তীর্ণ ভূমি মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত হবে বলে গবেষকগণ উল্লেখ করেছেন। জেগে ওঠা নতুন ভূমি যাতে স্থায়িত্ব লাভ করে তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
     
lbheading