date
cover
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
চিঠিপত্র

ফেনীতে ওভারব্রিজ চাই

ফেনী মহিপাল চৌমুখী রাস্তা পূর্ব দিক থেকে আসা ফেনী শহরের মেইন রাস্তা এসএসকে সড়ক, পশ্চিম দিক থেকে আসা নোয়াখালী-মাইজদী সড়ক, উত্তর ও দক্ষিণ দিকে যোগাযোগ মেইন সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। তাই চৌমুখী রাস্তায় অনেক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং ঘটছেও। আর যাতে কোন দুর্ঘটনা না ঘটে, আর যেন মায়ের বুক খালি না হয় সেজন্য আমরা চাই ফেনীতে একটি ওভারব্রিজ হোক। সেক্ষেত্রে পথচারীদের জন্য আর সমস্যা হবে না রাস্তা পার হতে। আর দুর্ঘটনার পরিমাণও কমবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রতি আবেদন, ফেনীবাসীর চাওয়া ফেনীর মহিপালে অবিলম্বে একটি ওভারব্রিজ হোক।

-আজগর শাহীন শ্রাবণ, সিলোনিয়া, দাগনভূঞা, ফেনী

পঞ্চগড় জেলার নোয়াখাইল্যাদের নিয়ে ভাবুন
আমি আপনার পত্রিকার একজন নিয়মিত গ্রাহক। অত্র দেবীগঞ্জসহ পঞ্চগড় জেলার নোয়াখালীর অনেক জ্ঞানী-গুণী, রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, কোম্পানি কমান্ডার, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্মরত ও অবসরে আছেন। তাঁরা দেবীগঞ্জসহ অত্র জেলায় বসবাসরত থাকা স্বত্ত্বেও এককালে নোয়াখালীর বাসিন্দারা নোয়াখাইল্লা হিসেবে পরিচিত। যে কোন নির্বাচন ও জাতীয় প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করলে নোয়াখালীর লোক হওয়ায় একঘরে হয়ে পড়ে। তাদের প্রসংগে আপনার পত্রিকায় কিছু লেখালেখি হলে হয়ত অত্র পঞ্চগড় জেলার জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন জাতীয় প্রোগ্রামে তাদের অংশ গ্রহণে সুযোগ সৃষ্টি হতো। এদের কয়েকজন হলেন মোঃ গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী-সাধারণ সম্পাদক উপজেলা আওয়ামীলীগ দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়। মোঃ নাসির উদ্দিন চৌধুরী উপাধ্যক্ষ, দেবীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, এ কে ভূঁইয়া কোম্পানি কমান্ডার ও কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়। মোঃ কাইয়ুম -(অবঃ) সহকারী কৃষি অফিসার ও থানা সদস্য জাতীয় পার্টি দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়। মোছাঃ মর্জিনা বেগম মহিলা সম্পাদিকা জাতীয় পার্টি দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়। উপরোক্ত পত্রটি আপনার পত্রিকায় প্রকাশ করলে লক্ষ্মীপুর বার্তা বহু গ্রাহক বা পাঠকের সাথে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করি।
-মোঃ কাইয়ুম
ফোরাম সদস্য নং-১৫৩৪, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়

শিক্ষক নিবন্ধনের প্রয়োজনীয়তা কি?
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো দেশের অন্যতম বিদ্যাপীঠ। এখানে শিক্ষকরা সরকারি নিয়মনীতিতে বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চাকরি পেতে স্নাতক ডিগ্রিই যথেষ্ট। কিন্তু বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের কম বেতন-ভাতা, কম সুযোগ-সুবিধা, মফস্বলের পরিবেশে থাকা-খাওয়া এমনকি অসহায়ের মত জীবনযাপন করা একজন শিক্ষককেও স্নাতক পাস করতে হবে। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পাস করতে হবে এবং এরপরই স্কুলের নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করে বেসরকারি শিক্ষক হতে হয়। এতে করে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও শিক্ষিত পরিবারের প্রার্থীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে পাস করেও চাকরি না পেয়ে সমাজে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দেশের এই বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা থেকে সরকারের আয়ের একটি উৎস হয়েছে। চাকরি হওয়ার পূর্বে অসহায় বেকারদের এরূপ ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনা করার সময় এসেছে। সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি বিবেচনা  করুন মানবিক দিক থেকে।
-সাহিদ
, সদর, নোয়াখালী

ধূমপান আইনের কার্যকারিতা নেই
সাবেক সরকার প্রকাশ্যে ধূমপান নিষেধের আইন প্রণয়ন করেছে। এটা নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এখনও আইনটি কার্যকর করতে পারেনি। বহুলোক প্রকাশ্যেই ধূমপান করছে এবং অধূমপায়ীদেরও সমান শারীরিক ক্ষতিসাধন করে চলেছে। আইন রক্ষাকারীরাই যখন সিগারেট খান তখন তা বন্ধ করা সম্ভব নয়। আগে তাদেরই সর্বপ্রথম আইনটি রক্ষা করতে হবে।
এ ব্যাপারে ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো ছোট্ট ছোট্ট নাট্যাংশের মাধ্যমে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারে। উল্লিখিত বিষয়টি সম্পর্কে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
-রিপন আচায্য, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী

তেমুহনী বাজারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের শাখা চাই
নোয়াখালী’র উত্তর সীমানা ও কুমিল্লার দক্ষিণ সীমানার প্রায় ২০-২৫টি গ্রামের মধ্যমণি হলো তেমুহনি বাজার। সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত তেমুহনি। এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ প্রবাসী এবং তারা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়ে থাকেন। এ সব টাকা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে অনেক দূরের (চৌমুহনী, মাইজদী, কুমিল্লা, ঢাকা, চট্টগ্রাম) ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে হয়। রাস্তাঘাট পাকা হওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানের সাথে (বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, চৌমুহনী, লাকসাম, কুমিল্লা, ফেনী) এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। এছাড়াও অনেক আগ থেকেই এ এলাকা ‘শিক্ষিত এলাকা’ হিসেবে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিশেষ সুনাম বয়ে আসছে। এখানে হাই স্কুল, মাদ্রাসা, প্রাইমারী স্কুল, কিন্ডারগার্টেনসহ (দু’টি ব্রিক ফিল্ড ও কয়েকটি স’ মিল) বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এখানে রয়েছে সকল প্রকার আবাসিক সুযোগ সুবিধাসহ (গ্যাস ছাড়া) নিরাপত্তা। তেমুহনী হতে প্রায় ৩ কিঃমিঃ দক্ষিণে ছাতারপাইয়া বাজারে জনতা ব্যাংকের একটি শাখা আছে। এতে সবসময় বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ) দেওয়ার জন্য প্রায় ১৫ কিঃমিঃ দূর থেকে গিয়ে অনেক সময়ই বিভিন্ন প্রকার অপ্রীতিকর সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং দূর হওয়াতে টাকা-পয়সা লেনদেনসহ অন্যান্য সব কাজেই নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হয়। এ অঞ্চল কৃষিপ্রধান এলাকা। ইরি-বোরো ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার শস্য তারা চাষাবাদ করে থাকেন। মাছের ঘেরসহ বিভিন্ন মাছ চাষাবাদ করা হয়। সব কিছু মিলিয়ে এখানকার অবকাঠামোগত অবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা স্থাপন করা যায়। এখানে ব্যাংক শাখা খোলা হলে শাখা লাভবান হবে এবং তেমুহনির আশ-পাশের প্রায় ১২টি গ্রাম ও বাজারসহ (তেমুহনি বাজার, বসন্তপুর বাজার, বিরাহিমপুর বাজার, লেমুয়া বাজারসহ সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলোতে কোন ব্যাংকের শাখা নাই) এলাকার অধিবাসীগণ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে। তেমুহনি বাজার থেকে প্রায় ২০-২৫ কিঃমিঃ দূরে সেনবাগ বাজার, অন্যদিকে চৌমুহনী বাজারে কৃষি ব্যাংকের শাখা আছে। সরকারের প্রতি ইউনিয়নে একটি করে শাখা করার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অত্র এলাকায় কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা খোলার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন জানাচ্ছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সরেজমিনে তেমুহনি অঞ্চল পরিদর্শন করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
-মোঃ গিয়াস উদ্দিন হৃদয়
পোঃ চিলাদী (মুন্সিপাড়া), ছাতারপাইয়া,  নোয়াখালী-৩৮৬৪

ড. জামাল’র পরামর্শ মূল্যবান
লক্ষ্মীপুর বার্তা’র অক্টোবর-নভেম্বর সংখ্যায় সাক্ষাৎকারে ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ এফসিএ বলেছেন, বৃহত্তর নোয়াখালীতে বিভিন্ন কারিগরী বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা হলে দক্ষ জনশক্তি গড়ে উঠবে।
ড. জামাল মূল্যবান কথাই বলেছেন। বৃহত্তর নোয়াখালীতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলেও এর সাথে সহায়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ আজও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার জনদাবি দীর্ঘদিনের। জেলা পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারগুলো আরও আধুনিক ও ইকুইপ্ড করা প্রয়োজন। কারিগরী শিক্ষার এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে।
নোয়াখালীতে কারিগরী শিক্ষা সম্পর্কে ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ’র বক্তব্য সময়োপযোগী। কর্তৃপক্ষ তাঁর পরামর্শ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন বলে আশা করি। তাঁকে অনেক ধন্যবাদ।
-ইঞ্জিনিয়ার জাফরুস সাদেকীন, মহাখালী, ঢাকা

রাস্তাটি সংস্কার করুন
আমরা ফেনী জেলার অন্তর্গত ফুলগাজী উপজেলার ৪নং আনন্দপুর ইউনিয়ন এবং ২নং ওয়ার্ডের বায়তুল আমান সমাজের এলাকাবাসী। বর্তমানে এ রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। দেখতে দেখতে ১৩ বছর হয়ে গেল, কিন্তু এ রাস্তার কোন উন্নতি নেই। মৌসুমে বৃষ্টি ও কাদার কারণে ছেলেমেয়েরা চলাফেরা করতে পারে না। এলাকার জনৈক ব্যক্তি প্রায় ৫০ হাজার টাকা দিয়ে রাস্তার গর্ত ভরাট করে। কিন্তু কতকাল এভাবে চলবে?  তাই এ অবস্থায় রাস্তাটি পাকা করার জন্য এলজিআরডি’র মন্ত্রী, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
-এইচ এম নিজামুল করিম পাটোয়ারী
আনন্দপুর, ফেনী

 

 

 
 
lbheading