date
cover
 
 
old
 
font
 
 
 
মফস্বল সংবাদ

কৃষকের মুখে হাসি, লক্ষ্মীপুরে আমনের বাম্পার ফলন
লক্ষ্মীপুরে আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। লক্ষ্মীপুরে চলতি বছর আমনের বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। আর ক’টা দিন পরে পুরো জেলায় আমন ধান কাটার ধুম পড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। জেলায় এ বছর ৮৩ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়। কিন্তু চাষ হয় ৮৪ হাজার ৬’শ ৫৫ হেক্টর। চাউল উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮’শ ৬০ মেট্রিক টন। প্রতি হেক্টরে চাউল উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয় ২.৫৮ মে.টন। তবে প্রতি হেক্টরে উৎপাদিত হয়েছে ৩ মে.টন। ..............বিস্তারিত

নোয়াখালীতে জাহাঙ্গীর কবির নানক॥ খাসজমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
বিগত জোট সরকারের আমলে তাদের সমর্থিতরা এ চরাঞ্চলে সরকারের হাজার হাজার খাসভূমি জবরদখল করে রেখেছিল। বর্তমান সরকার সকল খাসজমি অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করার কাজ প্রায় সম্পন্ন করেছে। উদ্ধারকৃত খাসজমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হবে। কোন দলীয় বিবেচনায় নয়, প্রকৃত ভূমিহীনদেরকে বেছে নেওয়া হবে। প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক সুবর্ণচরে এক জনসভায় বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, এ অঞ্চলে সরকারি ৫৫ হাজার একর খাসজমি রয়েছে। তার অধিকাংশই এতদিন ছিল বিগত জোট সরকারের মদদপুষ্ট জোরদার, লাঠিয়াল ও ভূমিগ্রাসীদের দখলে। এ অঞ্চলের যে ১২ হাজার একর জমি চিংড়ি চাষের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা বাতিলের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।
..............বিস্তারিত
রায়পুরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কালু মিয়ার স্ত্রীর আকুতি॥ ৩৯ বছরেও কেউ খবর নেয়নি
সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচিত ৯ নারী সাংসদকে বৃহত্তর নোয়াখালীর বিরোধীদলীয় এমপিদের বিভিন্ন সংসদীয় এলাকা ও কাজ বন্টন করে দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সংসদের চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট নারী সাংসদকে সংসদীয় এলাকার নাম উল্লেখ করে দায়িত্ব দেন।
তবে বিরোধী দলের নির্বাচনী এলাকায় সরকারি দলের নারী সাংসদদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিকে অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি।
বিশিষ্ট নাগরিকরাও এর সমালোচনা করেছেন। তাঁরা মনে করেন, সরকার এ ক্ষেত্রে আইনের সমান প্রয়োগ করেনি। দুই রকম আচরণ করা হয়েছে। তা ছাড়া বিরোধী দলের সাংসদদের এলাকায় সরকারি দলের নারী সাংসদদের দায়িত্ব দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণও ভালভাবে নেবে না।
বিরোধী দলের চীফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক তাদের এলাকায়
..............বিস্তারিত
  মফস্বল সংবাদসমূহের বিস্তারিত
line
প্রবাসী সংবাদ
পরলোকে সমাজসেবী, শিক্ষাদ্যোক্তা, দানশীল ব্যক্তিত্ব হাজী আবদুল হক মিয়া
লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক, এডভোকেট সফিক মাহমুদ পিন্টুর পিতা প্রাক্তন ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হাজী মোঃ আবদুল হক মিয়া,  ১৩ ডিসেম্বর তারিখে ঢাকাস্থ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে...............রাজেউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি ২ কন্যা, কন্যার জামাতা, ৩ পুত্র এবং ৩ পুত্রবধূ, নাতী-নাতনীসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
গত ১৪ ডিসেম্বর বাদ জোহর ঢাকার কাঁঠালবাগান বাজার জামে মসজিদে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জানাজায় স্থানীয় এমপি ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, লক্ষ্মীপুর-১ এর এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ, লক্ষ্মীপুর-৩ এর এমপি শহীদ উদ্দীন চৌধুরী (এ্যানি) সহ ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতির বেশ কয়েকজন প্রাক্তন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা, উপদেষ্টা, পৃষ্ঠপোষক, আজীবন সদস্য, সাধারণ সদস্যসহ মরহুমের পাড়া-প্রতিবেশী, গুণগ্রাহীগণ শরীক হন। অতঃপর তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ী রামগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় উপজেলা চেয়ারম্যান মুনির হোসেন চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আ ক ম রুহুল আমিন, রামগঞ্জের পৌর চেয়ারম্যান মোঃ হানিফ পাটোয়ারী, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং এলাকার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমকে দাফন করা হয়। গত ১৮ ডিসেম্বর, রোজ শুক্রবার কাঁঠালবাগান বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা মরহুমের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতির সর্বস্তরের কর্মকর্তা, মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, শুভাকাঙ্খিসহ অসংখ্য মুসল্লি শামিল হন।....................বিস্তারিত
প্রবাসী সংবাদসমূহের বিস্তারিত
line
সাক্ষাৎকার

নোবিপ্রবি’র সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আবুল খায়ের বলেন-
দেশের আধুনিক বিদ্যাপীঠ হবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয

line
প্রতিবেদন
৭১-এ পাক হানাদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ
সংরক্ষণের অভাবে লক্ষ্মীপুরে একটি গণকবরের চিহ্ন মুছে যাচ্ছে

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে  নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাক হানাদার বাহিনী। ২৬ মার্চ আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পর মুক্তিবাহিনী যখন সারা দেশে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তখন পাকবাহিনীর (পাঞ্জাবি) একদল সৈন্যের গুলিতে শহীদ হন ১৫ জন নরনারী। ১৫ জুন ১৯৭১ সকাল ৭টায় লক্ষ্মীপুর সদরের ১০নং চন্দ্রগঞ্জ  ইউনিয়নের  পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের নূর মিঞা মুন্সি বাড়িতে হানা দেয় পাকবাহিনীর শতাধিক সৈন্য। এর দু’দিন আগে পাকহানাদার বাহিনী লক্ষ্মীপুরে যাতে ঢুকতে না পারে সে জন্য ১৩ জুন চন্দ্রগঞ্জ বড়পোল (ব্রীজ) মাইন দিয়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত করে মুক্তিবাহিনী। ১৪ জুন ক্ষতিগ্রস্ত ব্রীজটি মেরামত করে পাকবাহিনী। ওই দিন অনেকেই ঘুমিয়েছিল, কেউ বা  নামাজ পড়ে  কোরআন তেলওয়াত করছিল। হত্যাযজ্ঞের সময় নূর মিঞা মুন্সি বাড়ির তৎকালীন দশম শ্রেণীর ছাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মহরম উল্যা (৫৩) জানান, ১৫ জুন চন্দ্রগঞ্জ বাজারে পাকহানাদার বাহিনীর উপস্থিতির খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা অনেকেই তাদের (বাজার সংলগ্ন) বাড়িতে এসে জড়ো হয়।
অনেক লোকের জড়ো হওয়ার দৃশ্য হানাদার বাহিনীর চোখে পড়লেই ওই বাড়ির পিছন দিক থেকে ঘিরে ফেলে তারা। এ সময় কিছু লোক বাড়ির পূর্বদিকে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচায়।
..........বিস্তারিত
 
line
অন্যান্য কলাম    
প্রধানমন্ত্রীর কাছে নোয়াখাইল্যার নালিশ || নিয়মিত ১৬১
বাংলাদেশ ও বিশ্ব অধ্যয়ন-২৪
 
 
     
lbheading