date
cover
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
মফস্বল সংবাদ

রহমতখালী খাল অবৈধ দখলে
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রহমতখালী খাল অবৈধ দখলদার কবলিত হবার কারণে ও সংস্কারের অভাবে পৌরসভাসহ কয়েক ইউনিয়নের ৫ লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় একদিকে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে ডুবে যায় বিস্তীর্ণ এলাকার শত শত ঘর-বাড়ি, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কয়েক হাজার বিঘা জমিতে ভালভাবে ফসল ফলানো যায় না। এলাকাবাসীর অভিযোগÑ  প্রভাবশালী অবৈধ দখলদারদের দখলের কারণে এবং কখনও সংস্কার না করায় খালটির অনেকাংশ ভরাট হয়ে গেছে। যার ফলে শুষ্ক মৌসুমে ময়লা আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ, মশা- মাছি ও পোকা-মাকড়ের আবাসভূমিতে পরিণত হয়েছে। শহরের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে একমাত্র খালটি। এতে শহরের সৌন্দর্য বিনষ্ট হচ্ছে। দেখে মনে হয় এই খালটি রক্ষা করার কেউ নেই। জানা যায়, প্রাচীনকালে ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকা নির্বাহের জন্য ভোলা-বরিশাল থেকে নৌকায় লোকজন লক্ষ্মীপুর রহমতখালী নদী হয়ে নোয়াখালী গিয়ে উঠত। কিন্তু কালের বিবর্তনে এই নদীটি পরবর্তীতে খালের রূপ লাভ করে। এখন নদীটি তার নিজস্ব রূপ হারিয়ে ফেলেছে। এজন্য এলাকাবাসী দায়ী করেন অবৈধ দখলদারদের। যদি খালটি পুনঃখনন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা  যায় তাহলে খালটি তার আসলরূপে ফিরে যেতে পারবে এবং এলাকার লক্ষ লক্ষ  মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। শহরের হারানো সৌন্দর্য্য ফিরে আসবে। কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত সহজ হবে এবং নদীপথে মেঘনার ইলিশ শহরবাসীর নিকট স্বল্পমূল্যে পৌঁছানো যাবে। তাছাড়া  নৌকা চলাচল করলে শহরবাসীর বিনোদনের চাহিদা মিটবে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে নিচু এলাকার পানি নিষ্কাশন ছাড়াও মাছ আহরণ করা যাবে। বর্তমানে খালের অধিকাংশ ভরাট হয়ে গেছে, ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে রহমতখালী খালটি পুনরুদ্ধার করে খালটির পুনঃসংস্কার ব্যবস্থা করবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

     
lbheading