date
cover
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
মফস্বল সংবাদ

মেঘনার গ্রাসে ছোট হয়ে যাচ্ছে হাতিয়ার মানচিত্র
মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে হাতিয়ার উল্লেখযোগ্য অংশ মেঘনাগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গনের কারণে সহায় সম্বল হারিয়ে অসংখ্য মানুষ আশ্রয় নিয়েছে নতুন জেগে ওঠা চরসহ বেড়ী বাঁধে। হাতিয়ার পাঁচ লাখ লোকের আর্থ-সামাজিক মুক্তি ও অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে নদী ভাঙ্গন রোধ করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

১৯৬০ সাল থেকে হাতিয়া নদী ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে। ১৯৬৮ সালে হাতিয়ার নদী ভাঙ্গন আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এ সময় থেকে মেঘনা নদী হাতিয়ার পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর উপকূল ব্যাপকভাবে ভাঙতে থাকে। বর্তমানে হাতিয়ার আয়তন ২১০০ বর্গ কিলোমিটার। ১৯৬৮ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত হাতিয়ার প্রায় ২৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা মেঘনা বক্ষে বিলীন হয়েছে। বিস্তীর্ণ কৃষি জমি, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, মাদ্রাসা, হাট-বাজার, বসত বাড়িসহ অনেক স্থাপনাই তলিয়ে গেছে নদীতে। বর্তমানে হাতিয়ার নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে হরনী-চানন্দী, সুখচর, নলচিরা, চরকিং, তমরদ্দি এবং জাহাজমারা এই ৬টি ইউনিয়ন নদী ভাঙ্গনের শিকার। তবে মারাত্মক ভাঙ্গনের শিকার হয় হরণী-চানন্দী, সুখচর ও নলচিরা ইউনিয়ন। ১৯৬০ সালে হাতিয়ার ইউনিয়ন ছিল ১১টি। ৪০ বছরে হাতিয়ার ২টি ইউনিয়ন নীলক্ষ্মী ও হরণী সম্পূর্ণভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

     
lbheading