লক্ষ্মীপুরে ‘বন্ধু চুলা’র পরিচিতি বৃদ্ধি পেয়েছে
লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি, কমলনগর ও সদর এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে ‘বন্ধু চুলা’র ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে সঙ্গে নিম্নআয়ের লোকজন জ্বালানি সাশ্রয় হওয়ায় স্বস্তিবোধ করছে। জানা যায়, বেসরকারি সংস্থা, ভলান্টারী অর্গানাইজেশন ফর ইন্টিগ্রেশন এন্ড কমিউনিটি এম্পাওয়ারমেন্ট (ভয়েস) -এর উদ্যোগে হতদরিদ্র অসহায় পরিবারদের জ্বালানি সাশ্রয় করার লক্ষ্যে ১৫/২০ জন কর্মী প্রতিদিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনদের বন্ধু চুলার উপকারিতা সম্পর্কে ধারণা দিয়ে চুলা তৈরি করে দিচ্ছেন। বন্ধু চুলার পরিচিতি ও ব্যবহার নিয়ে সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৫নং লাহারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চাঁদখালী ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক মোঃ বেলাল হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ সামছুল আলম লিটু। জার্মান টেকনিকেল -এর প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল মামুন, মোঃ ইউছুফ, বিটিভি’র সাংবাদিক মোঃ জহির উদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, এন আর ডি এস -এর লক্ষ্মীপুর শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ বাহার উদ্দিন, শিক্ষক হারুনুর রশিদ, মাহাবুবুল আলম, ইউপি সদস্য রফিকুল হায়দর পাটওয়ারী প্রমুখ। বক্তরা ‘বন্ধু চুলা’র উপকারিতা সম্পর্কে বলেন, এই চুলায় রান্নায় ধোঁয়া হয় না। জ্বালানি খরচ কম লাগে এবং ব্যবহারে নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ হ্রাস পায়।
-মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন
|