Sun Mercury Venus Ve Ves
বিশেষ খবর
‘লক্ষী’ থেকে লক্ষীপুর, যার আরেক নাম সয়াল্যান্ড  লক্ষীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৫০ মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা  ফেনী সেন্ট্রাল হাইস্কুল শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ  আ’লীগ আবারও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছে - লক্ষীপুরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী  শ্রীলঙ্কার অবস্থা দেখে বাংলাদেশে দিবাস্বপ্ন দেখার কোনো কারণ নেই - লক্ষীপুরে মাহবুব উল আলম হানিফ 

ফেনীরত্ন, পরমাণু বিজ্ঞানী সি এস করিমের পরলোকগমন

পরমাণু বিজ্ঞানী ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা চৌধুরী সাজ্জাদুল করিম আর নেই। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ নভেম্বর রাত ১০টা ৪০ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয় বলে প্রয়াতের ভাতিজা সৈয়দ মিনহাজ জানান। আণবিক শক্তি কমিশনের সাবেক এই চেয়ারম্যানের বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি পরিচিত ছিলেন সিএস করিম নামে। তার একমাত্র সন্তান শাবাব করিম জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন তার বাবা। অবস্থার অবনতি হলে ১৯ নভেম্বর তাকে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২০ নভেম্বর রাতে বাবার হার্ট অ্যাটাক হয়। এরপর তাঁকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।
সি এস করিমের জন্ম ১৯৪৮ সালের ৭ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মীরসরাই থানার নানা বাড়িতে। দাদার বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজীতে। বাবা বিচারক ছিলেন বলে মাধ্যমিক পর্যন্ত তার শিক্ষাজীবন কেটেছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।
১৯৬৪ সালে এসএসসি পাস করা সি এস করিম পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পরে রাশিয়ায় তিনি নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পিএইচডি ও পোস্ট ডক্টরেট করেন। বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন ছাড়াও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সদস্য ছিলেন তিনি।
২০০৭ সালের জানুয়ারিতে ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদ বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব নিলে তাতে কৃষি ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান সি এস করিম। সে সময় শস্য ফলন বাড়াতে সারাদেশ চষে বেড়ান তিনি, যা প্রশংসিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব পালনের আগে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নীতি-নির্ধারণী বিভিন্ন কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন সি এস করিম। তিনি বাংলাদেশ ফিজিক্যাল সোসাইটিরও সভাপতি ছিলেন।