Sun Mercury Venus Ve Ves
বিশেষ খবর
লক্ষ্মীপুরে মডেল থানা পুলিশের আলোচনা সভা ও আনন্দ উদযাপন  লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সোহেলের সংবাদ সম্মেলন  লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় ওসি (তদন্ত) শিপন বড়ুয়ার যোগদান  ঘর মেরামতে ঢেউটিন উপহার পেলেন লক্ষ্মীপুরের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী জসিম  রায়পুর প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি মাহবুবুল আলম মিন্টু ও সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নির্বাচিত 

পৌরসভার জনগণ যদি আমার বর্তমান কাজের মূল্যায়নে পুনরায় আমাকে মেয়র নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি অসমাপ্ত কাজগুলো শতভাগ বাস্তবায়নের সুযোগ পাবো - হাজী ইসমাইল খোকন, মেয়র, রায়পুর পৌরসভা, লক্ষ্মীপুর

একজন আপদমস্তক রাজনীতিবিদ, মানুষের কল্যাণচিন্তা তাঁর ধ্যান-জ্ঞান, জনগণের সেবা তাঁর সখ। তিনি হলেন রায়পুর পৌরসভার জননন্দিত মেয়র হাজী ইসমাইল খোকন। সম্প্রতি তাঁর সাথে লক্ষ্মীপুর বার্তা পত্রিকার বৃহত্তর নোয়াখালীর বার্তা সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন একান্ত আলাপচারিতায় মিলিত হন। তাঁদের আলাপচারিতার উল্লেখযোগ্য অংশ এখানে তুলে ধরা হলো।

জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে পৌর মেয়র হিসেবে আপনাকে নির্বাচিত করেছে, সে প্রত্যাশা পূরণে আপনি কতটুকু সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করেন এমন প্রশ্নের জবাবে রায়পুর পৌরসভার জননন্দিত মেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, আমি ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বরে জনগণের বিপুল ভোটে রায়পুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হই। জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে পৌরমেয়র হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করেছে, সে প্রত্যাশা আমি শতভাগ পূরণ করতে পারিনি। সরকার পৌরসভার উন্নয়নের জন্য যে বরাদ্দ দিয়েছে, করোনা মহামারী পরিস্থিতির কারণে আমরা তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারিনি। করোনার কারণে সব ধরনের উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে আছে। এর মধ্যে আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ১৪ কোটি টাকা পেয়েছি। কিন্তু বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমার কারণে কিছু কাজ আটকে আছে। তাছাড়া রাস্তাঘাট নির্মাণের ৮০ ভাগেরও বেশি কাজ আমরা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছি। অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের ১৪ কোটি টাকার মধ্যে যে ৬ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব মোতাবেক অনুমোদন আমরা ইতোমধ্যে পেয়েছি, সে ৬ কোটি টাকার কাজ আমরা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করতে পেরেছি। বাকি ৮ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব প্রকল্প পরিচালক বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে, সেই প্রকল্প প্রস্তাব মোতাবেক অনুমোদন এলে আমরা অন্যান্য কাজগুলোও সম্পন্ন করবো ইনশাআল্লাহ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য অগ্নিকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আগামীতে আমাকে আবারও পৌরমেয়র হিসেবে মনোনয়ন দেন এবং পৌরসভার জনগণ যদি আমার কাজের মূল্যায়ন করে আবারও পৌরমেয়র হিসেবে নির্বাচিত করে, তাহলে আমি বাকি কাজগুলো শতভাগ বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।

দলীয় ভিত্তিতে পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কতটুকু গণমুখী ও জনকল্যাণমুখী হবে বলে আপনি মনে করেন এমন জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে জনপ্রিয় পৌরমেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, দলীয় ভিত্তিতে পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনেক গণমুখী ও জনমানুষের জন্য কল্যাণমুখী হবে বলে আমি মনে করি। কেননা, দলীয় ভিত্তিতে পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলেও আমি পরবর্তীতে দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করি। তাই, দলীয় ভিত্তিতে পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও স্থানীয় সরকারে যারা নির্বাচিত হবেন, তারাও পরবর্তীতে দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করবেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। কেননা, একটা দলের পতাকাতলে থেকে কাজ করতে অনেক সুবিধা হয়। অনেক বেশি মানুষের কাছে যাওয়া সহজ হয়, বেশি মানুষের উন্নয়ন করা সম্ভব হয়। যা দলের বাইরে থেকে স্বতন্ত্রভাবে করা অনেক কঠিন। তাই আমি মনে করি, দলীয় ভিত্তিতে পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনও ব্যাপকভাবে গণমুখী ও জনকল্যাণমুখী হবে।

আপনার শাসনামলে পৌরবাসীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ কী কী উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন এমন প্রশ্নের জবাবে ইসমাইল খোকন বলেন, আমি আমার এই পৌরসভার দুঃস্থ-অসহায় ও অসচ্ছল মানুষদের বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, পঙ্গুভাতা ও অসহায় নারীদের গর্ভকালীন ভাতা দিয়েছি এবং এই করোনাকালীন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রেরিত খাদ্যসামগ্রী ১৫ হাজার মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে পৌঁছে দিয়েছি। আমাদের পৌরসভার সাধারণ মানুষের এই করোনাকালীন সময়ে কোনো সমস্যা হতে আমরা দেইনি, আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি, মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি, মানুষ স্বস্তিতে থেকেছে, শান্তিতে থেকেছে। আমি আমার পৌরসভায় ৩০টির অধিক নতুন রাস্তা নির্মাণ করেছি, পুরোনো রাস্তাগুলোর সংস্কার করেছি। এসব আমি এডিবির বরাদ্দ থেকে সম্পন্ন করেছি। হোল্ডিং ট্যাক্স সংক্রান্ত রাজস্ব আদায়ের ওপর মামলা মোকদ্দমা থাকার কারণে আমরা রাজস্ব আদায় করতে পারিনি, সে কারণে উন্নয়ন কর্মকা- অনেকাংশে বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যারফলে একবাড়ি থেকে আরেক বাড়ির সংযোগ রাস্তাগুলো নির্মাণ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি অর্থাৎ জনগণের যাতায়াতের মূল রাস্তাগুলো হয়েছে, কিন্তু বিভিন্ন বাড়ির সাথে মূল রাস্তার ছোট ছোট সংযোগ রাস্তাগুলো হয়নি। তবে ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ আমরা ইতোমধ্যে অধিকাংশই সম্পন্ন করেছি, আর যেটুকু বাকি আছে, তা অবশিষ্ট বিশেষ বরাদ্দের ৮ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন হয়ে এলে তখন আমরা তা সম্পন্ন করবো। রাস্তার বাতির জন্য আমরা এডিবির ৫ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করি, আর বাকিটা করি স্থানীয় রাজস্ব আদায়ের অর্থ থেকে, কিন্তু স্থানীয় রাজস্ব আদায়ের ওপর মামলা মোকদ্দমার কারণে আমরা রাজস্ব আদায় করতে পারছি না বলে রাস্তায় বাতির কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন করতে পারি নাই। তবে আমরা ইতোমধ্যে ৬ লক্ষ টাকার বাতির টেন্ডার দিয়েছি, আমরা শীঘ্রই রাস্তায় বাতির সংযোগ দিতে পারবো।

ডাকাতিয়া নদীর জলাবদ্ধতা পৌরসভার ভেতর যে সংকট সৃষ্টি করে, সে সংকট নিরসনের জন্য আপনি কী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এমন জিজ্ঞাসার জবাবে দূরদর্শী পৌরমেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, আসলে ডাকাতিয়া নদীতে পৌর এলাকার ভেতরে মৎস্যজীবী সমিতি কর্তৃক বাঁধ নির্মাণ করার কারণে পৌর এলাকার ভেতর এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে আমি উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেছি। এছাড়াও পৌরসভার উদ্যোগে আমি নিজে উপস্থিত থেকে বেশ কিছু বাঁধের জাল অপসারণ করেছি। আমি মনে করি, ডাকাতিয়া নদী উন্মুক্ত থাকলে এটা সকলের জন্য ভালো। পৌরসভার ড্রেনেজ সিস্টেমের পানি অপসারণের জন্যও অত্যন্ত সুবিধাজনক। তাই আমি চাই, ডাকাতিয়া নদীর জলাবদ্ধতার অবসান হোক। সকল বাধা-প্রতিবন্ধকতা অপসারিত হোক। ডাকাতিয়া নদী অবৈধ দখল ও দূষণমুক্ত হোক। পৌরসভার ড্রেনেজ সিস্টেমের জলাবদ্ধতার অবসান হোক।

আপনার পৌরসভার সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য কী কী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন? এমন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে পৌরমেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, আমাদের পৌরসভায় একটা শিশুপার্ক করার জন্য সরকার ২ একর জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে। আমরা সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘বঙ্গবন্ধু শিশুপার্ক’ তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এজন্য আমরা একটা প্রকল্প পরিকল্পনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করেছি। সেই প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন হয়ে এলে আমরা তখন ‘বঙ্গবন্ধু শিশুপার্ক’ তৈরির কাজ শুরু করবো। এছাড়া আমাদের রায়পুর পৌরসভার মূল সমস্যা হচ্ছে ড্রেনেজ সিস্টেমে জলাবদ্ধতা। আমরা ইতোমধ্যে এ সমস্যা সমাধানের জন্য নানাবিধ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ড্রেন থেকে আমরা ইতোমধ্যে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করেছি। আগামীতে যাতে আর কোনোরকমের জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়, আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আর সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার জন্য আমরা যে প্রকল্প প্রস্তাব প্রেরণ করেছি, তা অনুমোদন হয়ে এলে আমরা রাস্তাঘাটে বাতির ব্যবস্থা করলে আশা করি আর কোনো সমস্যা এই পৌরসভায় থাকবে না। এছাড়া আগামী একমাসের মধ্যে ৬০ লক্ষ লিটার পানি সরবরাহের ব্যবস্থা আমরা করছি এই পৌরসভায়, কাজেই আগামী একমাস পর আমাদের আর পানির সমস্যাও থাকছে না।

আপনার পৌরসভায় এমন কোনো উন্নয়ন-সম্ভাবনা আছে কি, যা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচরে আনলে রায়পুর পৌরসভার জন্য মঙ্গলজনক হবে বলে আপনি মনে করেন? এমন প্রশ্নের জবাবে পৌরমেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, আমাদের পৌরসভার এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন-সম্ভাবনা হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু শিশুপার্ক’। আমরা ইতোমধ্যে এই পৌরসভায় ‘বঙ্গবন্ধু শিশুপার্ক’ স্থাপনের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের গোচরে আনার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছি। যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তথা সচিব মহোদয়গণ এ বিষয়ে সদয় দৃষ্টি দিয়ে প্রকল্পটির অনুমোদন ও বরাদ্দ প্রদান করেন, তাহলে রায়পুর পৌরসভায় ‘বঙ্গবন্ধু শিশুপার্ক’ স্থাপন করা সম্ভব হবে। তাহলে শিশুদেরও যেমন চিত্তবিনোদন ও চিত্তবিকাশের ব্যবস্থা হবে, তেমনই সিনিয়র সিটিজেন তথা বয়স্করা ভোরবেলায় এই বঙ্গবন্ধু শিশুপার্কে হাঁটাহাঁটি করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উপকৃত হবে। বিশেষ করে যারা প্রেশার-ডায়াবেটিসের রোগী, তারা এই বঙ্গবন্ধু শিশুপার্ক হলে খুব উপকার পাবে। কাজেই আমি মনে করি, জনস্বার্থে এই বঙ্গবন্ধু শিশুপার্কটি হওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

রায়পুর পৌরসভার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিরূপ? সমগ্র লক্ষ্মীপুর জেলার বিরাজমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আপনার কোনো বক্তব্য আছে কি এমন জিজ্ঞাসার জবাবে পৌরমেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, আমাদের লক্ষ্মীপুর জেলায় বিরাজমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। কেননা, আমাদের বর্তমান জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল এবং পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান মহোদয়, এঁরা দু’জনেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লক্ষ্মীপুর জেলার বিরাজমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই ভালো। আমাদের পৌরসভার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও অত্যন্ত সন্তোষজনক। এজন্য আমি আমাদের বর্তমান জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল এবং পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান মহোদয়সহ জেলা প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পুলিশ প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

আপনার পৌরসভায় মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার রোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা কিরূপ এমন প্রশ্নের জবাবে জননন্দিত পৌরমেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, আমাদের রায়পুর পৌরসভায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত কঠোর। আমাদের রায়পুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ ও কঠোর। এছাড়া আমাদের রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং থানার পরিদর্শকগণ প্রতি সপ্তাহেই বেশ কিছু সংখ্যক ইয়াবা ব্যবসায়ী ও অন্যান্য মাদক দ্রব্যের কারবারিদের ধরে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এ কারণে আমরা স্বস্তিতে ও শান্তিতে আছি। এজন্য আমি রায়পুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং থানার পরিদর্শকগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে রায়পুর পৌরসভাবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় আপনার বিরুদ্ধে নেতিবাচক নানারকম সংবাদ ও প্রচার-প্রচারণার খবর পরিবেশিত হচ্ছে, কাউন্সিলররাও এখন আপনার বিরুদ্ধাচারণ করছে, এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য বলবেন কি এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় নেতিবাচক নানারকম খবর পরিবেশিত হচ্ছে, কাউন্সিলররাও এখন আমার বিরুদ্ধাচারণ করছে- এসব কিছুই ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বানোয়াট। আগামীতে পৌর নির্বাচনে আমার বিরুদ্ধে যারা প্রার্থী আছে, তারা আমাকে যাতে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়া না হয়, আমি যাতে দলীয় প্রার্থী হতে না পারি, সেজন্যে আমার প্রতিপক্ষরা গভীর ষড়যন্ত্র করে টাকা ঢেলে আমার বিরুদ্ধে এসব নেতিবাচক নানারকম সংবাদ ও প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। আমি এসবের ঘোর প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, আমি কোনো ধরনের অন্যায়ের সাথে জড়িত নেই, কোনো অপকর্মের সাথে জড়িত নেই। যদি আমার বিরুদ্ধে নেতিবাচক কোনো কিছু কেউ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে আমি মেয়রের পদ থেকেও পদত্যাগ করবো, দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকেও পদত্যাগ করবো।

লক্ষ্মীপুর বার্তা পত্রিকা সম্পর্কে মূল্যায়ন জানতে চাইলে রায়পুর পৌরসভার জনকল্যাণে আত্মনিবেদিত মেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালীর মুখপত্র লক্ষ্মীপুর বার্তা পত্রিকা আমাদের গর্ব। যুগের পর যুগ ধরে এই লক্ষ্মীপুর বার্তা পত্রিকা বৃহত্তর নোয়াখালীর ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলাসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর পরিবেশন করছে। বিশেষ করে বৃহত্তর নোয়াখালীর ইতিহাস-ঐতিহ্য এই পত্রিকার মাধ্যমে আমরা আমাদের নিজেদের আত্মপরিচয়ের স্বরূপ উপলব্ধি করতে পারি। তাই লক্ষ্মীপুর বার্তা পত্রিকা আমার খুব প্রিয় পত্রিকা। আমি লক্ষ্মীপুর বার্তা’র সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট সকল কলাকুশলীদের আমার এবং রায়পুর পৌরসভার পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই এবং লক্ষ্মীপুর বার্তা পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করি।